সিলেট ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:৫০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১, ২০১৭
ক্রাইম ডেস্ক : জমজমাট কমিউনিটি সেন্টারে তখন খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষ হয়েছে। বিয়ে সম্পন্ন করার আনুষ্ঠানিকতা বাকি।
এসময় বিয়ের আসরে উপস্থিন হন ম্যাজিস্ট্রেট। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি টের পেয়েই পালিয়ে যায় বর। কেন না কনের বয়স কম। ঘটনাটি ঘটেছে ফেনী শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে।
ফেনীর লালপোলের হাজী বশির উল্লাহ কমপ্লেক্স এর আল মক্কা কমিনিউটি সেন্টারে একটি বাল্যবিয়ে হচ্ছে-এমন খবরের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখানে হাজির হন ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা।
এ সময় কনের পিতা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান একটি জন্মসনদ আছে তার কাছে। জন্মসনদ ইস্যুর তারিখ ১৫-০৩-২০১৫ আর সনদে স্বাক্ষরের তারিখ ১২-০৯-১৭। সন্দেহ হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ উদ্দিন নাছিমকে ফোন করেন তিনি।
চেয়ারম্যান হাজির হওয়ার পর মেয়ের বাবা স্বীকার করেন তিনি কম্পিউটারে তথ্য জাল করেছেন।
এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের স্বাক্ষর জাল। মেয়ের প্রকৃত বয়স ১৬ বছর ছয় মাস। জন্ম সনদে দেখানো হয়েছে ১৮ বছর ছয় মাস। এ সময় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ এর ৪ ধারায় বিবাহ বন্ধ ঘোষণা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা। চেয়ারম্যানের নিকট একটি মুচলেকা সম্পাদনের নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান বর মো: আলমগীর (৩০) ও কাজী।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা জানান, রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে বাল্য বিবাহ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে সরকারের। এ ব্যাপারে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়ান আনসারের সদস্যরা।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd