সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৯
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় আনসার-ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত মহিলা প্রশিক্ষিকা শিউলী বেগমের বিরোদ্ধে ৪৬জন আনসার সদস্যদের দুটি খাতে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকা সুনামগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট এর সাথে যোগসাযোসে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে উপজেলার সকল আনসার সদস্যদের মাঝে চাপা ক্ষোব বিরাজ করছে। এই প্রথমেই নয় তিনি র্দীঘ দশ বছর ধরেই এমন অনিয়ম করে সরকারী টাকা লুটকরছে তারা। শুধু তাই নয় কোন অনুষ্টানে ১২জন আনসার সদস্য উপস্থিত হলে দেখায় ৩৫জন কোন কোন সময় ৪০জন। আর অতিরিক্ত লোকজন দেখি সব টাকা একাই নিজে আতœস্বার্ধ করছেন সারা বছরেই। এছাড়াও আনসার ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত মহিলা প্রশিক্ষিকা শিউলী বেগমের বিরোদ্ধে রয়েছে নানান অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
জানাযায়,গত ১৬ডিসেম্বর ১৮ইং প্যারেডে ১২জন আনসার সদস্য অংশ গ্রহন করেন। যা সবাই দেখেছেন। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী প্রতি আনসার সদস্য ঐ দিন পাবার কথা ৮৫০টাকা করে মোট ১০,২০০টাকা। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত মহিলা প্রশিক্ষিকা শিউলী বেগম ১২জন আনসার সদস্যে পরিবর্তে তিনি দেখিয়েছেন ৩৬জন। এতে করে টাকার পরিমান দাড়ায় ৩০,৬০০টাকা। কিন্তু তিনি সব টাকা ইতি মধ্যে উত্তোলন করে নিজেই আত্মসাৎ করেছেন। এদিকে প্যারেডে অংশ নেওয়া ১২জন আনসার সদসকে একটি টাকা দেওয়া হয় নি। আর অনেক আনসার সদস্য জানেনা তাদের জন্য রবাদ্ধ ৮৫০টাকা। ১২জন আনসার সদস্যের সাথে কথা বলে জানাযায়,দুই-এক জনকে ১শত টাকা দিয়ে বলেছেন চা,পান খাবার জন্য। কিন্তু তাদের বাকী টাকা দেন নি। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফার্য়ারিং মাঠে ৪৬জন আনসার সদস্য অংশ গ্রহন করে। তাদের ঐ দিন জন প্রতি বরাদ্ধ ছিল ২শত টাকা(মোট-৯,২০০টাকা)কিন্তু একটাও তারা পায় নি। কিন্তু এই দুটি খাতের সম্পূর্ন টাকা তিনি তুলে নিজেই নিয়েছেন ঐ দুটি অনুষ্টানের পরপর। এভাবেই গত দশ বছর ধরেই আনসার সদস্যদের টাকা আতœস্বার্ধ করছেন শিউলী বেগম। কোন আনসার সদস্য কোন কথা বললেই নানান ভাবে হয়রানী ও চাকরী থেকে রাখবে না হুমকি দেয়। আর আনসার সদস্যরা টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন টাকা এখনো আসে নি,ফান্ড নেই আসলে পাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আনসার সদস্যগন জানান,আমরা ত জানি না আমাদের জন্য বরাদ্ধ কত টাকা। ভারপ্রাপ্ত মহিলা প্রশিক্ষিকা শিউলী মেডাত আমাদের কিছুই বলেন নি। টাকার কথা জানতে চাইলে বলেন টাকা আসে নি। আমার হিসাব আমার জেলা কমান্ড্যান্ট এর কাছে দেই। তোমাদের কাছে দিতে পারব না।
উপজেলা আনসার-ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত মহিলা প্রশিক্ষিকা শিউলী বেগম বলেন,এখনো টাকা আসে নি। এখন অফিসের ফান্ড নাই। টাকা আসলে তারা সবাই টাকা পাবে।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd