উপজেলা নির্বাচনে সিলেটে প্রার্থীদের মনোনয়ন বাছাই সম্পন্ন

প্রকাশিত: ১১:৪৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯

উপজেলা নির্বাচনে সিলেটে প্রার্থীদের মনোনয়ন বাছাই সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার :: দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচনে সিলেটের মনোনয়ন বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। বাছাইয়ে বিভিন্ন কারণে বাদ পড়েছেন অনেকে। তবে আপিলের সুযোগ রয়েছে তাদের। গতকাল বুধবার সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। মৌলভীবাজারের দুই উপজেলা সহ সিলেটের উপজেলা গুলার বাছাই তোলে ধরা হলো। গোলাপগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১ জন। মনোনয়ন বাতিল প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আব্দুল ওয়াহাব জোয়ারদার মসুফ, ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী জহির আহমদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী বাঘা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কবির আহমদ। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে গোলাপগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিপন, শরফ উদ্দিন শরফ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সিলেট মহানগর যুব মহিলা লীগের সভাপতি, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিরা বেগম শীলার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন-আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মাওলানা রশিদ আহমদ। ভাইস চেয়ারম্যান পদে গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল আহাদ, গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সামাদ জিল্লু, সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক মনসুর আহমদ, যুবলীগ নেতা শাহিন আহমদ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাছুমা সিদ্দিকা ও নার্গিস পারভীন।

সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা নির্বাচনে ২ পদে ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২২জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৭জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। বাছাই পর্বে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ থাকলেও ৩ চেয়ারম্যান ও ৪ ভাইস চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে বাতিল হওয়া ৩ জন হলেন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন, আঞ্জুমানে আল ইসলাহ বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি ফয়জুল ইসলাম ও তালামীয নেতা কাজী রুহুল আমীন। তাদের মধ্যে বেদানা বেগম নামের একজনের টিপসইর মধ্যে স্বাক্ষর দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মিছবাহ উদ্দিনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। এছাড়া ২৫০ জন ভোটারের মধ্যে একজনের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় আল ইসলাহ ফয়জুল ইসলাম ও সঠিকভাবে ফরম পুরন না হওয়ায় কাজী রুহুল আমীনের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। মনোনয়ন বাতিল ৪ ভাইস চেয়ারম্যান হলেন বিশ্বনাথ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন, যুক্তরাজ্য যুবলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শামীম, বিশ্বনাথ আওয়ামী লীগ নেতা নোয়াব আলী ও ক্রীড়া সংগঠক ফখরুল ইসলাম। তাদের মধ্যে অন্যের ঋন খেলাপির জামিন থাকায় যুবলীগ নেতা আলতাব হোসেন ও ফখরুল ইসলামের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়। আর ১৯৬ নাম্বার ভোটারের স্বাক্ষরের জায়গায় টিপসই থাকায় আমিনুল ইসলাম শামীম ও ২২২ এনামুল হক নামের এক ভোটারের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় নোয়াব আলীর প্রার্থীতা বাতিল করা হয়।

গোয়াইনঘাট উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ফারুক সরকার এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি গোলাম রব্বানী সুমনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। গতকাল বুধবার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাচাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের জন্য চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৭জনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ। এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থীর প্রত্যেকেরই মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া হেলাল। আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ’র উপদেষ্টা গোলাপ মিয়া। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অংশ না নেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি লুৎফুল হক খোকন ও উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আলম স্বপন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জামাল আহমদ। এদিকে, ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৬ জন প্রার্থী। তারা হলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, জমিয়ত নেতা গোলাম আম্বিয়া কয়েছ, এমসি কলেজ ছাত্রলীগের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা দেলোওয়ার হোসেন, জেলা ছাত্রদল নেতা সালেহ আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বানী সুমন, যুবলীগ নেতা হীরক দেব, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিন ভুইয়া। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফিয়া বেগম, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খোদেজা রহিম কলি, যুবলীগ নেত্রী পদ্মা দেবী এবং সাবেক ইউপি সদস্যা মনোয়ারা বেগম বীনা।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১০জন থেকে বাদ পড়েছে ১জন। কোম্পানীগঞ্জে চেয়ারম্যান বাছির পরিবারের তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা। নাম শামছুল হক রড। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন পদে ৪জন থেকে বাদ পড়েছে ১জন। নাম আয়শা বেগম। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭জন থেকে বাদ পড়েছে ১জন। নাম বিলাল উদ্দীন।

ফেঞ্চগঞ্জ উপজেলায় যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতানা রাজিয়া ডলি, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী স্যায়িদুল আলম মুরাদ ও মনিরুল ইসলাম টিটু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস বেগম ইকবাল ও মোহিনী বেগম। এদের মধ্যে ঋণ খেলাপির নমিনি থাকার কারণে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফেরদৌস বেগম ইকবালের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। সনাক্তকারী একজনের সাক্ষর না থাকার কারণে স্যায়িদুল আলম মুরাদের প্রার্থীতা বাতিল হয় বলে জানান। তবে তিনি আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়াও নোটারি পাবলিক না করায় মোহিনী বেগমের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গেলেও বাকীদের মনোনয়ন বাতিলের কারণ জানা যায়নি।

বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইকালে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং কর্মকর্তা। তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর নিজ এলাকার সমর্থনকারি ভোটারের স্বাক্ষরে অমিল থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাদ দেয়া হয়। ভোটার তালিকায় ত্রুটি থাকায় তাদের মনোনয়ন অযোগ্য ও অবৈধ ঘোষণা করেন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬ প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী (উপজেলা জাতীয় পার্টিও সভাপতি) আবুল হাসনাত ও (উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি) আলকাছ আলীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ত্রুটি থাকায় বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ প্রার্থীর মধ্যে মামুনুর রশিদ মামুনের মনোনয়নপত্র একই কারণে বাতিল করা হয়। এর ফলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিন পদে ১১জন প্রার্থী নির্বাচন করার বৈধ্যতা পেয়েছেন।

কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কালে ৩ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন রির্টানিং অফিসার কাজী এমদাদুল হক। গতকাল বুধবার জেলা রির্টানিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করে জেলা নির্বাচন রির্টানিং অফিসার ২৫০ ভোটারের স্বাক্ষরিত তালিকা যাচাই করে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম, হাকিম রাব¦ানী চৌধুরী ও মনোনয়ন পত্রে ভুল তথ্য প্রদান করায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী খাদিজা বেগমের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কালে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্জ আব্দুল মুমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাঁতবাক ইউনিয়নের সদ্য পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান আলহাজ্জ মোস্তাক আহমদ পলাশ, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের চৌধুরী ও ন্যাপ ভাষানী দলের প্রার্থী সাংবাদিক এহসানুল হক জসীমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন জেলা রির্টানিং অফিসার। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাংবাদিক শাহীন আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা এমাদুর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে নেতা মাও: আব্দুল্লাহ শাকীর, স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতা আব্দুল ওয়াদুদ দুদুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়ায় আপিল করবেন বলে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী খাদিজা বেগম জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া স্কুল সার্টিফিকেট ভুল হওয়ায় তাহা তিনি আপিলের মাধ্যমে সংশোধন করবেন। জানা গেছে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দেরীতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করায় বাতিল হয়ে যাওয়া প্রভাতি রানী দাস গতকাল বুধবার জেলা রির্টানিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই কালে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী খাদিজা বেগমের মনোনয়ন পত্রের হলফ নামায় স্কুল সার্টিফিকেট জ্বাল ও প্রেরিত ভোটার তালিকা স্বাক্ষর জ্বালিয়াতির অভিযোগ এনে জেলা নির্বাচন রির্টানিং অফিসার কাজী এমদাদুল হকের বরাবরে খাদিজা বেগমের মনোনয়ন পত্র বাতিল করার জন্য দরখাস্ত দাখিল করেন।

বালাগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৪ জন বৈধ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জনের মধ্য ২ জন বৈধ ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জনের মধ্য ৪ জনকে বৈধ ঘোষনা করা হয়েছে। বৈধ মনোনয়নপ্রাপ্ত হলেন বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান মফুর, বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য স্বতন্ত্রপ্রার্থী আলহাজ্ব আবদাল মিয়া, স্বতন্ত্র যুক্ত রাজ্য বিএনপি ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম রব্বানী, জাতিয় পাটি মনোনীত মোঃ আব্দুর রহিম, বালাগঞ্জ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সুক্তি রানী দাস, কুলসুমা বেগম। বালাগঞ্জে পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে সামস উদ্দিন সামস, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, সুজিত চন্দ্র গুপ্ত বাচ্চু ও মোস্তাক উদ্দিন আহমদ প্রমুখ। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ পার্থী সেবু আক্তার মনি আয়কর কাগজ পত্র সাথে না থাকা ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নুরে আলমকে ঋনের খেলাপির জন্য অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।

কমলগঞ্জ উপজেলায় যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, ওয়ার্কাস পার্টির মনোনিত প্রার্থী আব্দুল আহাদ মিনার এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. সিদ্দেক আলী ও মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন। তাদের মধ্যে পদে ব্যাংক ঋণ খেলাপি দেখিয়ে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান এবং আয়কর রিটার্ন জমা না দেওয়ায় ওয়ার্কাস পার্টির মনোনিত প্রার্থী আব্দুল আহাদ মিনারকে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। একই সাথে ব্যাংক ঋণ খেলাপীর কারণে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. সিদ্দেক আলী ও ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরসহ স্বাক্ষরিত পত্রটিতে জালিয়াতির কারণে মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করেন জেলা রির্টানিং অফিসার। মৌলভীবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম চেয়ারম্যান পদে ৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখন প্রার্থীরা আপিলের সুযোগ পাবেন। মনোনয়ন বাতিল হওয়া আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান জানান, তিনি ঋণ খেলাপী নন। তিনি ঋণ পরিশোধ করেছেন আগেই। তবে ব্যাংক থেকে সঠিক কাগজ জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে পৌঁছেনি। ব্যাংকের কাগজপত্র তিনি নিজেই জমা করেছেন। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে একটি প্রতিবেদন আসার কথা। তিনি এ ব্যাপারে আপিল করবেন বলে জানান। একই কথা জানান মনোনয়ন বাতিল হওয়া ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সিদ্দেক আলী।

জুড়ী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোঈদ ফারুক ও কিশোর রায় চৌধুরী মনি। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জুয়েল আহমদ, মোঃ গোলাম জাকারিয়া ও রিংকু রঞ্জন দাস এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শিল্পী বেগম এর মনোনয়ন বাতিল হয়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

February 2019
S S M T W T F
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728  

সর্বশেষ খবর

………………………..