সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, মে ১৪, ২০১৯
ফেঞ্চুগঞ্জের এসিল্যান্ড কার্যালয়ের পাশে প্রায়শই মাছের ঝুড়ি নিয়ে বসতে দেখা যায় কয়েকজন মাছ বিক্রেতাকে। গত রোববার (১২ মে) সকালবেলা এরকমই কয়েকজন মাছ বিক্রেতা মাছ ভর্তি ঝুড়ি সাজিয়ে এসিল্যান্ড কার্যালয়ের পাশে বসে ছিলেন। সে সময় অফিসে প্রবেশ করছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকার। তখন তিনি একজন মাছ বিক্রেতাকে মাছের ঝুড়ি গুলো সড়িয়ে ফেলতে বলেন। এসময় মাছ বিক্রেতা লায়েক আহমদ ‘দিদি সড়িয়ে নিচ্ছি’ বললেই চটে যান তিনি।
প্রতি উত্তরে বলেন, আমি কিসের দিদি? এরপর পরই লাথি দিয়ে হাসান মিয়া ও লায়েক আহমেদের মাছ ভর্তি ঝুড়ি টি পাশের ড্রেনে ফেলে দেন।
সরকারের উর্ধবতন একজন কর্মকর্তার এহেন আচরণে উপস্থিত মৎসবিক্রেতা সহ সকলেই হতভম্ব হয়ে পড়েন।
এনিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জের বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা এবং ক্ষোভ বিরাজ করছে।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুর দেড়টায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকার এ বিষয়ে কোন কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।
এবিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd