বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রে প্রতারণার শিকার পর্যটকরা

প্রকাশিত: ৮:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০১৯

বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রে প্রতারণার শিকার পর্যটকরা

দেশ-বিদেশে প্রকৃতিপ্রেমীদের নিকট পরিচিতি লাভ করেছে সিলেটের বিছনাকান্দি। বিশেষ করে ঈদ, পূজা, বড় দিনের মত ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি সরকারি ছুটিতে হাজার হাজার প্রকৃতিপ্রেমীরা বিছনাকান্দির উদ্দেশ্যে ছুটে আসেন।

এবারের ঈদ-উল ফিতর গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের বিছনাকান্দি পর্যটন কেন্দ্রে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকের সমাগম হয়েছে। সিলেট থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলার বঙ্গবীর পর্যন্ত সড়কটি মোটামুটি ভাল থাকায় পর্যটকগণ আনন্দে মেতেই বঙ্গবীর উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত পৌঁছান। তবে বঙ্গবীর থেকে পীরেরবাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক।

রাজধানী ঢাকা ও সিলেট থেকে সিংহভাগ পর্যটকই উন্নতমানের গাড়ী নিয়ে আসেন। রাস্তায় হাটু পরিমাণ গভীর গর্ত ও খনাখন্দ থাকায় শাতধিক পর্যটক বঙ্গবীর এলাকায় গাড়ী রেখে প্রায় ৪ কিলোমিটার জায়গা পায়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। আবার অনেক গাড়ীচালক গাড়ীর ক্ষতি করেও পীরের বাজার পর্যন্ত গাড়ী নিয়ে যান। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা প্রকৃতিপ্রেমীরা পীরেরবাজার পর্যন্ত পৌছেই যেন ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এরপরও ছুটে যান বিছনাকান্দি দেখতে পর্যটকরা। সেখানে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের কবলে পড়েন পর্যটকরা।
সরেজমিন দেখা যায়, একদল বখাটে প্রতিনিয়ত মেদের উক্তত্ব ও মাদক নিয়ে পর্যটকদের দ্বারে দ্বারে ঘোরেন। ওই মাদক ব্যবসায়ীরা বলেন লাগবেনি। তাদের এমন কথা শুনে এক পর্যটক বলে ভাই কি, উত্তরে এক মাদক ব্যবসায়ী বলে ‘অফিসার’। এরপর সঠিক মূল্য দিয়ে মাদক হাতে নেওয়ার পর পরই ডিউটিরত আনছার সদস্যরা ওই পর্যটককে আটক করে বিজিবির কাছে নিয়ে যায়। কিন্তু মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেনি তারা। পরে ওই পর্যটকের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই সময় পর্যটক ছাড় পেয়ে পর্যটনে বেড়াতে আসা এক সংবাদকর্মীর সাথে বিষয়টি শেয়ার করেন। পরে সংবাদকর্মী গোয়াইনঘাট থানার ডিউটিরত এ এসআই বারিককে বিষয়টি জানান। বারিক বলেন, এসব মাদক ব্যবসায়ীদের সেল্টার দেন আনসার ও বিজিবির সদস্যরা। কিন্তু তিনি কোন ধরণের সহযোগিতা করেননি ওই পর্যটককে। পরে দেখা যায় এ এসআই বারিক তিনিই বড় অপরাধের সাথে জড়িত। বারিক বিছনাকান্দি নদী থেকে একটু দূরে বিজিবি কম্প এর পাশে এক লোককে আটক করে তাকে মারধর করছেন। এতে স্থানীয় জনতা তার উপর উত্তেজিত হন।
এ সময় স্থানীয়রা জানান, এ এসআই বারিক ওই এলাকার লোকদের প্রতিনিয়ত হয়রানির মধ্যে রাখেন, এবং আকটের ভয় দেখিয়ে এলাকার লোকদের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। তারা এলাকার অসহায় লোক তার বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করেনি মামলার ভয়ে।
বিস্তারিত আসছে —

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..