সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:৪২ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০১৯
সিলেট সদর সাবরেজিষ্ট্রারী অফিসের সাধারণ দলিল লেখক ও দলিল লেখক সমিতি কার্যকরি কমিটির সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত সদস্য মো: খালেদ হোসেন এর প্রতিবাদ লিপিতে জানান, গত ২০ জুন বৃহস্পতিবার সিলেটের কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ প্রকাশিত লাঞ্ছিত শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যেখানে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাকে জড়ানো হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যে সব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা হেয় প্রতিপন্ন করা ছাড়া আর কিছুই না। প্রকৃত সত্য হলো সংবাদে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার কোন প্রকার সংশি¬ষ্টতা নেই। আমি এহেন ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
২২ জন এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ আইন মান্যকারী একজন সাধারণ নাগরিক। আমি সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকৃত সত্যতা যাছাইয়ের জন্য বিগত ২০ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত সিলেট জেলা রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরার রেকর্ড ফুটেজ সংগ্রহ করলে এ সত্যতা পাওয়া যাবে। আমি প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৬জুন শাহপরাণ (রহ.) থানার মৌজা আটগাঁও, জে.এল নং-৬৭, মেয়াজী ০৩ শতক ভূমির দলিল রেজিষ্ট্রারী করার জন্য সাব রেজিষ্ট্রার পারভীন আক্তারের কাছে উপস্থাপন করি। উপস্থাপনা করা দলিলের অতিরিক্ত টাকা রেজিষ্ট্রার পারভীর আক্তার আমার কাছে দাবি করলে এবং তা দিতে আমি অপারগতা প্রকাশ করলে দলিলটি রেজিষ্ট্রারী করতে তিনি অসম্মতি জানান। আমি দলিলখানা বাতিল করার কথা বললে তখন দলিলের কোন প্রকার জটিলতা না পেয়ে দলিলটি রেজিষ্ট্রারী করতে বাধ্য হন। পরে ১৭ থেকে ১৯জুন পর্যন্ত আমি অসুস্থতার কারণে রেজিষ্ট্রারী অফিসে যাইনি। গত ২০জুন বৃহস্পতিবার আমি রেজিষ্ট্রারী অফিসে উপস্থিত হলে বেলা ১টার দিতে রেজিষ্ট্রারী পারভীন আক্তার আমাকে উনার অফিসের নকল নবিস নিজাম আল দ্বীন কে দিয়ে ডেকে পুনরায় ১৬ জুনের রেজিষ্ট্রারীকৃত দলিলের অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অসম্মতি জানালে আমাকে অকত্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও সরকার অনুমোদিত লাইসেন্স বাতিল ও রেজিষ্ট্রার অফিস থেকে আমাকে বহিষ্কার করার হুমকি প্রদান করেন।
এ ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে সিলেট দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মাহমদ আলী অন্যান্য দলিল লেখকদের অবগত করি। তারা আমার কথা শুনে রেজিষ্ট্রারী পারভীন আক্তারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কোন কথা না বলার অসম্মতি জানান। পরবর্তীতে বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে রেজিষ্ট্রারী পারভীন আক্তার তার সন্ত্রাসী বাহিনী আতিকুর রহমান রিফুল ও নিজাম আল দ্বীন আমাকে মারধর করে জোরপূর্বক রেজিষ্ট্রারী পারভীন আক্তারের কাছে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় সিলেট সদর দলিল লেখক সমিতির সেক্রেটারী হাজী লোকমান আহমদ ঘটনার স্থান থেকে আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। তাৎক্ষনিক এ ঘটনায় অফিসের সমূহ দলিল লেখকগণ রেজিষ্ট্রারী অফিসের সামনে ঘটনার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেন। প্রতিবাদ অবস্থান কর্মসূচীকালীন সময়ে রেজিষ্ট্রারী পারভীন আক্তার অফিস থেকে পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে রেজিষ্ট্রারী পারভীন আক্তার আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ভূল তথ্য প্রদান করে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ করেন। যা আমার আত্বসম্মানের আঘাত ঘটছে। আমি উক্ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উক্ত সংবাদে সংশি¬ষ্ট প্রশাসন ও শুভানুধ্যায়ীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি এবং পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের যাচাই-বাচাই পূর্বক তথ্য ভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ জানাচ্ছি।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd