জামালগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড এক্সরে-কে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত: ১০:৫০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০১৯

জামালগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড এক্সরে-কে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা

পরিবেশ ক্ষতিসাধন করে ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড এক্স প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১৮ এপ্রিল পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। পরে শুনানী শেষে গত ২১ জুলাই বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ধারা-৭ এর আলোকে এ জরিমানা প্রদান করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার পরিচালক (উপ-সচিব) রুবিনা ফেরদৌস ২২.০২.০০০০.০৫৬. ০৪.০৫৮.১৯.৮৫৬ নং স্মারকমূলে জামালগঞ্জ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড এক্স প্রতিষ্ঠানকে উক্ত জরিমানা প্রদান করেন।

উক্ত স্মারকের পরবর্তীতে জামালগঞ্জ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড এক্সরে পরিচালনা করতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।

জানাগেছে, জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স নির্লিপ্তা রাণী হলাদার ও তার স্বামী সঞ্জিব কান্তি বড়–য়া পেশি শক্তি দিয়ে উক্ত ডায়াগনষ্টিক সেন্টার চালিয়ে আসছেন। বিগত সময়েও এ ডায়াগনষ্টিক নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, অবৈধ গর্ভপাত নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবুও থেমে যায়নি নির্লিপ্তা ও সঞ্জিবের অবৈধ কার্যক্রম। দাপটের সঙ্গে সরকারের অনুমোদন না থাকা স্বত্ত্বেও পরিবেশ ছাত্রপত্রের নামে ভূয়া একটি কাগজ দিয়ে তারা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার চালিয়ে আসছেন।
১৯৯৬ সালে ২৪ ডিসেম্বর চাকরিতে যোগদানের পর থেকে নির্লিপ্তা রাণী সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জেই অবস্থান করছেন। সরকারী চাকরির পাশপাশি স্বামী সঞ্জিব কান্তি বড়–য়ার নামে জামালগঞ্জ উপজেলা হাসপাতাল গেইটে অবস্থিত ‘জামালগঞ্জ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এন্ড এক্সরে’ নামের বেআইনী ল্যাব পরিচালনা করছেন। যেটির কোন লাইসেন্স নেই। শুধুমাত্র দুই বৎসর মেয়াদী চুক্তিতে নিয়ে আসা একজন ট্যাকনিশিয়ান দ্বারা ওই ল্যাবের রিপোর্ট প্রদান করা হয়ে থাকে। যার ভুলে এলাকার শত শত মানুষ বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। অপচিকিৎসার কবলে হারিয়েছেন স্বর্বস্ব।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..