সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০১৯
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র তিনদিন বাকি। ইতোমধ্যে সিলেট নগরীতে জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। ঈদ সামনে রেখে পশু কেনার পাশাপাশি মাংস কাটার জন্য দরকারি উপকরণ দা-ছুরি-চাপাতি কিনতে কামারের দোকানেও বাড়ছে ভিড়। সঙ্গে গাছের গুঁড়ি এবং মাংস রাখার জন্য পাটির দোকানেও বেড়েছে বিক্রি। তাই আগুনে লোহা পুড়িয়ে এসব তৈরি এবং পুরনোগুলো শাণ দিয়ে ধারালো করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিলেটের কামাররা। এসব মালামালের চাহিদা পূরণে কামাররা দিন-রাত কাজ করছেন। জমজমাট হয়ে উঠেছে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠা কামারের দোকান। এ ব্যস্ততা চলবে ঈদের দিন পর্যন্ত। গত কয়েকদিন নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমনটাই দেখা গেছে।
নগরীর দক্ষিণ সুরমা, ক্বীনব্রীজ এলাকা, তোপখানা, বন্দরবাজার, আম্বরখানা, কাজীটুলা, নাইওরপুল, সোবহানীঘাট, টিলাগড়সহ বেশ কয়েকটি বাজার ও কামারের দোকানে তৈরি হচ্ছে শত শত দা, বঁটি, ছুরি, চাকু, চাপাতিসহ নানা সামগ্রী। আবার বাসাবাড়ি থেকে পাঠানো নানা ধরণের যন্ত্রপাতিতে শান দিচ্ছেন তারা। নগরীর সুরমা মার্কেটে মিন্টু মিয়ার দোকানে দেখা গেছে, ছুরি, বঁটি, চাপাতি, কাঠের গুঁড়ি পাওয়া যায়। এ দোকানে বিভিন্ন ধরনের দা-ছুরি-চাপ পাওয়া যাচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, একের পর এক ক্রেতা এসে নগরীর কামারপট্টির দোকানে ভিড় করছেন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার কামাররা দোকানে বসেই খেয়ে নিচ্ছেন। পুরোনো দুটি দা, একটি বটি ও একটি ছুরিতে শাণ দেওয়ার জন্য কামররা ৪৫০ টাকা রখছেন। অন্য সময়ে এর মজুরি দুই’শ টাকার মতো। আর নতুন একটি ছোরা ৩৫০ থেকে চারশ টাকা, বিভিন্ন সাইজের চাক্কু ৫০ থেকে একশ টাকা, বটি দুইশ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। ক্রেতারা জানান, অন্য সময়ের চেয়ে এখন দ্বিগুণ দাম রাখা হচ্ছে।
কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির ঈদের সময় তাদের যে বেচাকেনা হয় তা অন্যকোনও সময়ে হয় না। তাই এ ঈদের আগে পেশাজীবী কামারদের সচ্ছল হওয়ার মোক্ষম সময়। অনেক কামার আগে থেকেই এসব মালামাল প্রস্তুত করে ঈদের সময় বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করে থাকেন।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd