সিলেট ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:২৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১, ২০১৯
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানের দুর্নীতি তদন্তে ঢাকায় এসেছে সৌদি বিশেষ প্রতিনিধি দল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সাথে ইতোমধ্যে দেখা করেছে এই প্রতিনিধি দল। তদন্তের প্রয়োজনে তারা সাক্ষাৎ করতে পারে জোট সরকারের সময়ের নানা কর্মকর্তাদের সাথেও।
২০১৭ সালের ৪ নভেম্বরে সৌদি আরবের নবগঠিত দুর্নীতি দমন কমিটি দেশটির ১১জন শাহজাদা, মন্ত্রী এবং বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রীসহ ২০১ জন প্রভাবশালীকে দুর্নীতির অভিযোগে আটক করে। তাদের দুর্নীতির সঙ্গে বিশ্বের আরও অনেক দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছিলো তদন্ত কমিটি যাদের মধ্যে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের নামও এসেছিলো। সৌদি গণমাধ্যম আল-অ্যারাবিয়া, সৌদি আরবের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা এসপিএ, দুবাই ভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল দ্য ন্যাশনাল, লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম মিডল ইস্ট আইসহ নানা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছিলো এসব খবর।
জিয়া পরিবারের সদস্যরা ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সৌদি আরবে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে বলে খবর প্রকাশ পেয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে। খালেদা জিয়ার পাশাপাশি তার বড় ছেলে তারেক রহমান, খালেদার ভাই শামীম ইস্কান্দারের নামও রয়েছে এই তালিকায়। আটককৃতদের একজন বিশ্বের অন্যতম ধনী, সৌদি শাহজাদা আল-ওয়ালিদ বিন তালালকে জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পায় দুর্নীতি দমন কমিটি।
আল-ওয়ালিদ বিন তালাল ছাড়াও পেট্রোকেমিক্যাল ব্যবসায়ী ইয়াহিয়া লতিফের কাছেও জিয়া পরিবারের বিনিয়োগ ১০ কোটি রিয়াল বা ২৩০ কোটি টাকা রয়েছে। এছাড়া সদ্য পদচ্যুত সৌদিমন্ত্রী আদেল বিন ফিকাহর কাছে জিয়া পরিবারের সদস্যরা বিনিয়োগের জন্য অর্থ দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সৌদি আরবে জিয়া পরিবারের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণের জন্যই দেশটিতে বেগম জিয়া আলাদা মর্যাদা পেতেন বলে দাবি দেশটির দুর্নীতি দমন কমিটির।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd