‘প্রতারণার শিকার’ সিসিকের ১০ কাউন্সিলর!

প্রকাশিত: ১০:১১ অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০২০

‘প্রতারণার শিকার’ সিসিকের ১০ কাউন্সিলর!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই দাবি করা কাউন্সিলরদের একটি যুক্ত বিবৃতি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সিটি করপোরেশনের ১০জন কাউন্সিলর স্বাক্ষরিত এ বিবৃতিটি বুধবার (০৪ মার্চ) সন্ধ্যায় সাংবাদকর্মীদের ওয়াটসআপে প্রেরণ করেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারি ইমন।

১০জন কাউন্সিলর স্বাক্ষরিত এ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়- ‘উন্নয়ন কাজের কথা বলে সিসিকের ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়ন কাজ ও প্রতিবন্দ্বী ভাতা সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করা আবেদনে তাদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।’ যা পরবর্তীতে অন্যায়ভাবে মেয়রের বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগপত্রের সঙ্গে জড়িয়ে দেয়া হয়েছে।’

বিবৃতিতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রেরিত সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়রের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গ বিষয় শীর্ষক অভিযোগপত্রের সঙ্গে নিম্নস্বাক্ষরকারী কাউন্সিলরগণ সংশ্লিষ্ট বা অবহিত নই-উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে মেয়রের নেতৃত্বে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।স্বাক্ষরকারী কাউন্সিলররা।

ওই বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন সিসিকের ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুনিম, ১৩ নং ওয়ার্ডের শান্তনু তত্ত্ব সনতু, সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাসুদা সুলতানা, সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নাজনীন আক্তার কনা, সংরক্ষিত ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেবেকা আক্তার লাকি, ১২ নং ওয়ার্ডের সিকন্দর আলী, ১৯ নং ওয়ার্ডের এস এম শওকত আমীন, ২১ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রকিব তুহিন, ৯নং ওয়ার্ডের মখলিছুর রহমান কামরান ও ২৪ নং ওয়ার্ডের সোহেল আহমদ রিপন।

বিবৃতির ব্যাপারে জানতে স্বাক্ষরকারী কাউন্সিলরদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে কয়েকজন ফোন রিসিভ করেননি। অনেকের ফোনও বন্ধ ছিল। যে কারণে বিববৃতিটি তাদের কিনা, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে সিসিকের ২২ কাউন্সিলর বুধবার বিকেলে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ দাখিল করেন।

এ অভিযোগে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডের সাধারণ ও সংরক্ষিত ৩৬ কাউন্সিলরের মধ্যে ২২ জন স্বাক্ষর করেন। এতে উপরোক্ত ১০ জন কাউন্সিলরেরও স্বাক্ষর রয়েছে।

বুধবার এই খবর নতুন সিলেটে প্রকাশিত হলে সন্ধ্যায় তারা অভিযোগ পত্রে সংশ্লিষ্ঠতা অস্বীকার করে একটি সাদা কাগজে ১০ জন কাউন্সিলরের স্বাক্ষরিত কপি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..