সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৫৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : অবশেষে শামীমা নূর পাপিয়ার বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানার অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলা এবং বিমানবন্দর থানায় করা জাল নোটের মামলাটির তদন্তভার র্যাব পেয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফি উল্লাহ বুলবুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পাপিয়ার রিমান্ড সম্পর্কে বুলবুল বলেন, আমরাও তদন্তের স্বার্থে রিমান্ডে নিয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করব। মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত সিআইডি করবেন বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
র্যাবের অভিযানে গত ২২ ফেব্রুয়ারি পাপিয়া, তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী (মতি সুমন) এবং তাদের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়।
এরপর মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, জমি দখল এবং ওয়েস্টিন হোটেলে নারীদের দিয়ে ‘যৌন বাণিজ্যসহ’ নানা অপকর্মের অভিযোগ আসতে থাকে পাপিয়ার বিরুদ্ধে।
বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতারের সময় পাপিয়াদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, ২ লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান রুপি ও সাতটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা হয় জাল নোটের মামলাটি, যাতে পাপিয়া ও তার স্বামীর সঙ্গে তার দুই সহযোগীকেও আসামি করা হয়।
অন্যদিকে ওয়েস্টিন হোটেলে পাপিয়ার ভাড়া করা প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট এবং ইন্দিরা রোডে পাপিয়াদের দু’টি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, ২০ রাউন্ড গুলি, পাঁচ বোতল মদ উদ্ধারের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা হয় দু’টি মামলা। অস্ত্র ও মাদক আইনের এ দুই মামলায় পাপিয়া এবং তার স্বামীকেই কেবল আসামি করা হয়।
ওই তিন মামলায় পাপিয়াকে পাঁচ দিন করে মোট ১৫ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় আদালত। বিমানবন্দর থানার মামলায় আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলার মধ্যেই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। কিন্তু পাপিয়াদের গ্রেফতারের পরে বাসা-হোটেলের অভিযানে সম্পৃক্ত থাকায় র্যাবও মামলার তদন্তভার পেতে আগ্রহী ছিল। সে কারণে র্যাবের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd