সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৩৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২০
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: সিলেট জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ পৃথক অভিযান করে ৩ জনকে আটক করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১০ মার্চ মঙ্গলবার পৌঁনে ১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর মডেল থানার আওতাভুক্ত ট্রাফিক পুলিশ সিলেট তামাবিল মহা সড়কের বিরাইমারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় চেক পোষ্ট বসিয়ে যানবাহন তল্লাশী করে।
পুলিশের তল্লাশী চলাকালীন সময়ে ২ ব্যক্তি পুলিশ দেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় ট্রাফিক পুলিশ তাদেরকে আটক করে এবং তাদের দেহ তল্লাশী করে ভারত হতে অবৈধ পথে নিয়ে আসা ভারতীয় ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
আটকৃতরা হল- কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার জগতপুর (সাবেক চেয়ারম্যান মৃত খোকনের বাড়ী) এবং বর্তমান গোয়াইনঘাট উপজেলার মামার দোকান এলাকার মো. আবুল হাশেম‘র ছেলে মো. আলা উদ্দিন আল মামুন (২৭), গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং কালিনগর গ্রামের মোঃ শফিক মিয়া‘র ছেলে মো. শাকিল মিয়া (২০)।
তাদের বিরোদ্ধে জৈন্তাপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয় (যার নং- ১০, তারখিঃ ১০/০৩/২০২০খ্রিঃ)।
অপরদিকে গত ১০ মার্চ দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় নিজপাট ইউনিয়নের লক্ষীপ্রসাদ হাওর গ্রামে নিজ বসত ঘরের দরজা খুলে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় বাদীর অভিযোগের ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ মামলা গ্রহন করে (মামলা নং-১১, তারিখ: ১১/০৩/২০২০খ্রিঃ)।
মামলার সূত্র ধরে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের সহায়তায় ১১মার্চ বিকাল পোনে ৫টায় গোয়াইনঘাট উপজেলার ধর্মগ্রাম হতে ধর্ষণের চেষ্টা মামলার প্রধান আসামী গোয়াইনঘাট উপজেলার ধর্মগ্রাম‘র মৃত আফতার আলী‘র ছেলে ফয়সল আহমদ (২৭)কে আটক করে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক প্রতিবেদককে বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রনে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। এছাড়া প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিত্বে দ্রুত থানা পুলিশের গঠিত টিম জৈন্তাপুর সার্বক্ষনিক অপরাধ নিয়ন্ত্রনে দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
ভারতীয় চোরাই পণ্য নিয়ন্ত্রনে পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিজিবি‘র উর্দ্বতন কর্মকর্তা নজরদারি বৃদ্ধি করার আহবান জানান। আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd