সিলেট সদর হাসপাতালের এক নার্স হোম কোয়ারেন্টিনে, আতঙ্কে অন্যান্যরা

প্রকাশিত: ১১:৩৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০২০

সিলেট সদর হাসপাতালের এক নার্স হোম কোয়ারেন্টিনে, আতঙ্কে অন্যান্যরা

স্টাফ রিপোর্টার :: গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সিলেট বিভাগে দেশে এসেছেন ২৬ হাজার ৮৪৩ জন। কিন্তু ১০ মার্চ থেকে হোম কোয়ারেন্টিনের হিসাব রাখা শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয়। ২৬হাজার ৮৪৩ জন দেশে ফিরলেও হোম কোয়ারেন্টিনে সিলেট বিভাগে রয়েছেন মাত্র ১৬শ’ ৮০ জন। সদর হাসপাতালের একজন নার্সও রয়েছেন হোম কোয়ারেন্টিনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে আতঙ্কের মধ্যদিয়ে সিলেট সদর হাসাপাতালের ৭৫ জন নার্স বিভিন্ন সিফটে ও পর্যাপ্ত পরিমানে পি পিই ছাড়াই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে সিলেট শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স করোনা সন্দেহে হোম কোয়ারেন্টিনে। বর্তমানে হাসপাতালের অন্যান্য নার্সদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সদর হাসপাতালের ভারপাপ্ত নার্স সুপারেনটেন্ড শারমিন আহমদ কণা ক্রাইম সিলেটকে জানান, ‘শরীরে জ্বর থাকায় করোনাভাইরাস সন্দেহে শনিবার ওই নার্সকে তার বাসায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকিরাও আতঙ্কের মধ্যে ডিউটি করছেন। রোববার করোনা আক্রান্ত সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা লন্ডন ফেরত এক নারীর মৃত্যুর পর দেখা দিয়েছে আরও আতঙ্ক’।

সিলেট বিভাগে কোয়ারেন্টিনের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। প্রবাসী অধ্যুষিত এ বিভাগে আজ রবিবার পর্যন্ত ১৬শ’ ৮০ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এসব ব্যক্তিদের মধ্যে সিংহভাগই প্রবাসী। বাকিরা তাদের পরিবারের সদস্য। করোনাভাইরাস ঠেকাতে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান জানান, সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ২৩৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এরা সবাই বিদেশ ফেরত। সবমিলিয়ে গত ১০ মার্চ থেকে আজ রবিবার পর্যন্ত সিলেট বিভাগে কোয়ারেন্টিনে আছেন ১৬ শ’ ৮০ জন।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয় গত ১০ মার্চ থেকে কোয়ারেন্টিনের হিসাব রাখছে। যারা বিদেশ থেকে আসছেন, তাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। তবে বিদেশফেরত ব্যক্তিরা কোয়ারেন্টিনে থাকছেন না বলেও অভিযোগ আছে। এরকম কয়েকজন ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে জরিমানাও করা হয়েছে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..