করোনাভাইরাস: খাদ্যের জন্য গোয়াইনঘাটে নিম্ন আয়ের মানুষের হাহাকার

প্রকাশিত: ১০:৩২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০২০

করোনাভাইরাস: খাদ্যের জন্য গোয়াইনঘাটে নিম্ন আয়ের মানুষের হাহাকার

নিজস্ব প্রতিবেদক :: করোনা ভাইরাস ও পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলাবাসীর হৃদয়ের মধ্যে মরার উপর খরার ঘাঁ’র মতো বিদ্ধ হচ্ছে। গত ২৬ মার্চ সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত বন্ধের সাথে সাথে কর্জরত অচল হয়ে পড়েছে তিনলক্ষ জনগোষ্টি অধ্যুষিত দেশের সর্ববৃহৎ আয়তনের উপজেলা গোয়াইনঘাটবাসীর জীবন যাত্রার মান। রুজি-রুজগারের আশা নিয়ে কোথায় যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থা সংকুচিত হওয়ার কারণে প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার হাজার নিম্ন আয়য়ের জনগোষ্টী। খদ্যাভাবের আশঙ্কা করছেন সচেতন উপজেলার জনগোষ্টী।

করোনাভাইরাসের পূর্বেই বিছনাকান্দি ও জাফলং পাথর কোয়ারী সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে বন্ধ থাকায় শ্রমজীবী লোকের মধ্যে হাহাকার দেখা দিয়েছিল। এরই মধ্যে আবির্ভূত হয়েছে করোনাভাইরাস নামক মহামারি। বর্মানে একদিকে মৃত্যুর ঝুকি ও অন্যদিকে খদ্য সংকটের আশঙ্কা। এই দুটি মিলে ভয়াবহ সংকটের প্রতিধ্বনি শুনা যাচ্ছে উপজেলার হাজার হাজার মানুষের মধ্যে।

এ পর্যন্ত সরকারি সাহায্য সহযোগিতা অপ্রতুল হওয়া সত্বেও প্রচার-প্রচারণা চলছে শতভাগ। তাছাড়া এলাকার স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নাম মাত্র খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অধিকহারে প্রচার ও প্রকাশের কারণে নিম্ন আয়ের ও শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত সঠিক তথ্য উদঘাটনে সচেতন মহল বিভ্রান্তের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলকায় খবর নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সরকারি এবং বেসরকারি কোন ধরণের খাদ্যসামগ্রী না পৌছার কারণে অনাহারে খাবারের জন্য হাহাকার করছে হাজার হাজার নিম্ন আয়ের মানুষজন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদের বরাদ্দ গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন বনটন করে যাচ্ছেন।

জরুরি বিত্তিত্বে সরকারের পাশাপাশি বিত্তশালী ব্যক্তিরা দলমত নির্বেশেষে নিম্ন অয়ের ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে না দাঁড়ালে বড় রকমের মানবিক বিপর্যয়ের অশঙ্কা করছেন এলাকার সচেতন নাগরিক বৃন্দ।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..