সিলেট ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:১১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর (হরিপুর) ইউপির হেমু মাঝপাড়া গ্রামের মক্তবের শিক্ষক কর্তৃক ফ্লাক্সের গরম চা ঢেলে ৭ বৎসরের শিশুর শরীর জ্বলছে দিয়েছে। প্রতিকার চাইলে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করেনি মহল্লাবাসী। ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) বরণ আইনের সহায়তা নিতে। মামলা দায়ের‘র প্রস্তুতি চলছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২২ সেপ্টেম্বের মঙ্গলবার সকাল অনুমান ৬টায় উপজেলার হেমু তিনপাড়া পশ্চিম মহল্লা জামে মসজিদের মক্তবে পড়ার জন্য যায় জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর (হরিপুর) ইউপির হেমু মাঝপাড়া গ্রামের এখলাছ উদ্দিনের ছেলে হেমু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্র শাহরিয়ার নাফিজ নাবিল(৭)। মক্তবে পড়ার সময় নাফিজ সহপাটির সাথে আলাপ করতে দেখে রেগে গিয়ে মক্তবের পাঠদান শিক্ষক হেমু ভাটপাড়া গ্রামের বড়হুনার ছেলে হেমু দারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল করিম(২৭) ফ্লাক্স হতে গরম চা এনে শিশুটির শরীরে ঢেলে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে শিশুটির শরীরের মাথার নীচের অংশ (গাড়) জ্বলসে যায়।
আহত অবস্থায় মসজিদের অন্যান্য ছাত্ররা শিশুটিকে বাড়ী পৌছে দেয়। এঘটনায় বিষয়টি দামাচাঁপা দিতে এবং পিতা এখলাছ হবিগঞ্জে সিরামিক ফ্যাক্টরীতে থাকার সুবাধে শিশুটির মাকে বিষয়টি অন্য কাউকে না জানাতে চাঁপ প্রয়োগ করেন। ঘটনার পর মা শিশুটিকে স্থানীয় ফার্মেসীতে চিকিৎসা দেন এবং স্বামী এখলাছ মিয়াকে বিয়টি অবগত করেন। খবর পেয়ে এখলাছ উদ্দিন ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে বাড়ী ফেরেন এবং শিশু নাবিলের অবস্থা দেখে ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার বিষয়ে জানতে মসজিদে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান সেই শিক্ষক এখনও পাঠদান করছেন। তাই বিষয়টি গ্রামের মুরব্বীদের জানালে এখলাছকে বিভিন্ন ভাবে হুমকী ধমকি প্রদান করে এবং ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেত চেষ্টা করে।
শিশুর পিতা এখালাছ উদ্দিন বলেন বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অবহিত করলে তিনি ছেলেটিকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসা শেষে থানায় মামলা দায়ের করবেন বলে তিনি জানান।
জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহসিন আলী ও অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ওমর ফারুক বলেন, শিশু নির্যাতনের বিষয়ে কোন অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। যদি অভিযোগ আসে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd