লালাখাল সীমান্তের নৌপথে চোরাই পণ্য পাচার, লাইনম্যান সেলিমের লাখ লাখ টাকা বাণিজ্য

প্রকাশিত: ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২০

লালাখাল সীমান্তের নৌপথে চোরাই পণ্য পাচার, লাইনম্যান সেলিমের লাখ লাখ টাকা বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক :: জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল সীমান্তের নৌপথে দিনের আলোতে ও রাতে অন্ধকারে অবাধে ভারত-বাংলাদেশে পাচার হচ্ছে চোরাই পণ্য। এই চোরাই পণ্য পাচারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন লালাখাল সীমান্ত বিজিবির লাইনম্যান চোরাকারবারীদের নেতা সেলিম আহমদ। তার নেতৃত্বে লালাখাল সীমান্তের নৌপথে চোরাকারবারীরা পণ্য পাচার করে আসছেন।

জানা গেছে, প্রতিদিন রাতে সেলিম লাখ, লাখ টাকা চাঁদা নিয়ে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিভিন্ন ধরণের অবৈধ পণ্য দেশে প্রবেশ করানো হচ্ছে। পণ্য সামগ্রীগুলো হল, বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র, মাদক, শাড়ি, গরু, মহিষ, কিটের কার্টুন, ওষুধ-ইন্ঞ্জেকশন, সেনিটাইজার, মোবাইল ফোন, খেলার জুতা, সাপের বিষ, মোটরসাইকেল-টায়ার, কসমেটিকস ও স্বর্ণের বার।

এছাড়া সরকারের কোটি, কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কাচামালের চালানও প্রবেশ করছে অনায়াসে। এর নিরাপদ রাস্তা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে লালাখাল সীমান্তের নৌপথ। সীমান্ত বিজিবির হাত ছুয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিঠিয়ে পড়ছে এসকল পণ্য। এতে করে সামাজের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ এরকম কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছেন।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন মহলের বেশ কিছু ব্যাক্তিবর্গ জানিয়েছেন, কতিপয় অসাধু চোরাচালানকারীদের সেলিম বিজিবি-পুলিশকে ম্যানেজ করে দেদারছে এই বাণিজ্য করছে। সেলিম বিজিবিকে বড় অংকের চাঁদা দিয়ে অবৈধ পন্থায় এসব পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করিয়ে থাকে। বিজিবিসহ বিভিন্ন টেবিলে লাখ, লাখ টাকা চাঁদা পৌছে দেয় সেলিম। অত্র এলাকায় স্থানীয়রা তাকে লাইনম্যান সেলিম নামে পরিচিত। সেলিমের বিজিবির সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় দেশে নিরবে আসছে চোরাই পণ্য। রহস্যজনক কারণে অভিযান হচ্ছে না।

উপজেলার লালাখাল সীমান্তের নৌপথ দিয়ে চোরাচালান বন্ধে ও লাইনম্যান সেলিমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের নিকট আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন এলকার সচেতন মহল।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

October 2020
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

………………………..