সিলেট ৭ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৮ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:১২ অপরাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০২২
ছাতক প্রতিনিধি :: প্রায় ৯ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বকেয়া বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ছাতক শিল্পনগরী উপজেলা বিদ্যুৎ বিত্রুয় ও বিতরন বিভাগ ও উন্নয়ন বোডের নিবাহী প্রকৌশলীর দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সাবেক নিবাহী প্রকৌশলীর আব্দুল আল মামুন সরদারে বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে লুটপাটের অভিযোগ করেছেন একাধিক গ্রাহকরা। প্রতিদিন সকালে কার্যালয়ে হাজিরা দিয়ে তাঁরা বকেয়া আদায়ে বিভিন্ন গ্রাম পাড়া মহল্লায় গ্রাহকদের কাছে যাচ্ছেন । ফলে ব্যাহত হচ্ছে ওই অফিসের গ্রাহক-সুবিধাসহ অন্য কার্যক্রম।
বিদ্যুৎ আদালত সিলেটের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে পৌর শহরের বকেয়া বিলের দিক থেকে শীর্ষ বিলখেলাপি হয়েছেন পৌর মেয়র ও আওয়ামীলীগনেতা আবুল কালাম চৌধুরীসহ ৬ সহোদরের কাছে।
গত মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যায় পয়ন্ত পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ আদালতের মাধ্যমে একাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছে নগদ টাকা আদায় করে এবং একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের অঙ্গিকার করেন গ্রাহকরা ।
২১ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে পৌর মেয়রের ৬ ভাইয়ের কাছে রয়েছে। তারা দীঘদিন ধরে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছেন না বলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেেছে।বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষ বার বার তাগিদ দিলেও আদায় হচ্ছেনা বিদ্যুৎ বিল। র্দীঘদিন ধরে দেই দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করছেন তারা।
পৌর সভা সহ বিদ্যুৎ বিল প্রায় ৯কোটি টাকা বকেয়া থাকার ফলে সরকারে কোষাগারে জমা হচ্ছেনা।
বিদ্যূৎ অফিস সুত্রে জানাযায়, ছাতক পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামীলীগনেতা আবুল কালাম চৌধুরী ৮০ লক্ষ ৫শ ৪৮ টাকা, মেয়রের ছোট ভাই শামিম চৌধুরী ৩ টি একাউন্টে ২ লাখ ৬০ হাজার, ৬ শ ১৩ টাকা, সেলিম চৌধুরী’র ২ লাখ,৩ হাজার ৩ শ ৪১ টাকা, শাহিন চৌধুরীর ১ লাখ ৫ হাজার ৩ শ ৯০ টাকা, জামাল চৌধুরী’র দুটি একাউন্টে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ২ শ ৭৮ টাকা, কামাল চৌধুরী’র ৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ৯শ ১৫ টাকা।
এভাবে মেয়র পরিবারের কাছে পাওনা ২১ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে।
প্রভাবশালীদের কাছে বিদ্যুৎ বিল বকেয়ার ঘটনায় এ নিয়ে সাধারন গ্রাহকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জেলাজুড়েই সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকার একাধিক বাসিন্ধা জানান, তারা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা। লাখ লাখ টাকা বিল হলেও তাদের নামে মামলা হয় না। আমরা সাধারন জনগন ১০ হাজার টাকার বিল হলে বিদ্যুৎ অফিস বাড়িতে এসে বিদ্যুৎ; লাইন বিচ্ছিন্ন করাসহ মামলা করে দিতেন সাবেক নিবাহী প্রকৌশলী আব্দুল আল মামুন সরদার ও সাবেক দুনীতিবাজ কর্মকতারা ।
এব্যাপারে পৌর মেয়র কালাম চৌধুরী জানান, তাকে অতিরিক্ত বিল দেয়া হচ্ছে,যা সঠিক নয়, মিটারে সমস্যা রয়েছে। এ কারনেই বিল দেয়া হচ্ছেনা। ২১ লাখ টাকার বিলের বিষয়ে তিনি অবগত নন।
বিক্রয় ও বিপনন বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ছাতকস্থল (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল রাজ্জাক জানান, ৯কোটি টাকা বকেয়া বিলের এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৬ জনের মধ্যে দুটি একাউন্টে ৪ লক্ষ টাকা পরিশোধ করা হলে ও ১৭ লাখ টাকা বাকী বকেয়া রয়ে গেছে। যারা টাকা দেবেনা তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা দায়ের করা হবে।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd