ওসমানীনগর ট্র্যাজেডি : শীঘ্রই রহস্য উদঘাটনের আশা জেলা প্রশাসকের

প্রকাশিত: ১০:৫৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২২

ওসমানীনগর ট্র্যাজেডি : শীঘ্রই রহস্য উদঘাটনের আশা জেলা প্রশাসকের

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক :: সিলেটের ওসমানীনগরে রহস্যজনকভাবে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাবা ও ছেলের মৃত্যুর ঘটেছে। এ ঘটনায় অচেতন অবস্থায় ওই পরিবারের আরও ৩ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।

অসুস্থ এ তিনজনকে দেখতে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১টায় ওসমানী হাসপাতালে যান সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান। এসময় তিনি অসুস্থদের খোঁজ-খবর নেন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এসময় বলেন, ওসমানীনগরের ঘটনা খুবই মর্মান্তিক। আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩ জনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে এসেছি। বর্তমানে ছেলেটার অবস্থা মোটামুটি ভালো। মায়ের অবস্থাও একটু ভালো। তবে মেয়েটার অবস্থা স্থিতিশীল।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে পুলিশ তাদের মতো করে তদন্ত করছে। আশাকরি স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- ওসমানী মেডিকেলে উপ-পরিচালক ওসমানী মেডিকেলের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) শাহরিয়ার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) রফিকুল ইসলাম, এনেসথেসিয়া বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবুল বাশার, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার আহসানুল আলম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দুপুরে ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর স্কুল রোডের একটি বাসা থেকে একই উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের ধিরারাই খাতুপুর গ্রামের মৃত আবদুল জব্বারের ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রফিকুল ইসলাম (৫০), তার স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (৪৫), ছেলে মাইকুল ইসলাম (১৬) ও সাদিকুল ইসলাম (২৫) এবং মেয়ে সামিরা ইসলামকে (২০) অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম ও তার ছেলে মাইকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের জানাজা বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মফিজ উদ্দিন পিপিএম। তিনি বলেন, পুলিশ বিভিন্ন বিষয় মাথায় নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। পরিবারের ভেতর থেকে কেউ বিষ প্রয়োগ করেছে নাকি বাহিরে থেকে কেউ বিষ প্রয়োগ করেছে- সে বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত জানানোর মতো বড় ধরণের কোনো তদন্তের অগ্রগতি নেই।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..