সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:৪৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটে নগীর যানজট নিরসনের উদ্ধোগ নিয়েছিলেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে রহস্যজনক কারনে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টির কারন হিসেবে জানা যায় হকারদের ফুটপাত দখল আর অবৈধ গাড়ি পার্কিং দায়ী বলে ভুক্তভোগিদের বক্তব্য। এছাড়াও বিভিন্ন সড়কে সিলেট সিটি করপোরেশনের সংস্কার কাজের জন্য যখন তখন যানজট লেগে যায়। এছাড়াও নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, তালতলা, চৌহাট্টা, পূর্ব ও পশ্চিম জিন্দাবাজার, বারুতখানা, জেলরোড, মিরাবাজার, শিবগঞ্জ ও সোবহানীঘাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় প্রায় তীব্র যানজট লেগে থাকে।
যানজটের কারণে সময়ের অনেক অপচয় হচ্ছে। স্কুল-কলেজে সময়মতো যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার সময় যানজটের কারণে পরীক্ষার হলে ঢুকতে দেরি হচ্ছে। অফিস-আদালতসহ নানা কাজে মানুষের অনেক দেরি হচ্ছে শুধু যানজটের জন্য। অ্যাম্বুলেন্স সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারায় চিকিৎসা করতে দেরি হচ্ছে। এমনকি রোগীর কাছেও সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না অ্যাম্বুলেন্স। বেড়েই চলছে অসহনীয় দুর্ভোগ।
লালদিঘরপারে হকারদের পুনর্বাসন করেও সিলেট নগরকে হকারমুক্ত করতে পারেননি সিসিক মেয়র। বিএনপি দলীয় নেতা, লাইনম্যান, পুলিশ ও সুপারভাইজারদের চাঁদাবাজি এবং ঘুষ বাণিজ্যের ঢলে ভেস্তে গেছে সিসিক মেয়রের হকারমুক্ত করণ নগর পরিকল্পনা। তাই অনিয়মের জলে ভেসে গেছে সিসিক’র অর্ধকোটি টাকা।
সূত্রে প্রকাশ, আজ থেকে বছর দেড়েক আগে অর্ধ কোটি টাকা ব্যায় করে নগরীর লালদীঘি মাঠে হকারদের পুনর্বাসন করেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের অংশ হিসেবে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে ১ হাজার হকারকে পুনর্বাসন করা হয় এ মাঠে। ফলে নগরের বন্দরবাজার থেকে জিন্দাবাজার হয়ে চৌহাট্টা পয়েন্ট পর্যন্ত সড়কের দুই ধারে কিছুদিন ছিলো না কোনো হকার। ছিলো না ভ্রাম্যমাণ ক্রেতা-বিক্রেতারাও। এতে স্বাচ্ছন্দে চলতে পারছিলেন পথচারী, অফিস আদালত ও স্কুল কলেজ যাত্রীরা।
কিন্তু কিছু দিনের ব্যবধানে হকাররা ফের রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে নিয়েছে। যান ও জনচলাচলের রাস্তা বন্ধ করে চলছে রকমফের ব্যবসা। নগরের কীনব্রিজ থেকে শুরু করে বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, জেলরোড, জল্লারপার, চৌহাট্টা, আম্বরখানাসহ এমন কোনো রোড বাকি নেই, যেখানে বসছে না হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ী, দিচ্ছে না অসাধু মহলের লাইনম্যানদের দৈনিক হারে চাঁদা।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, নগরের লালদিঘী মাঠ থেকে হকারদের ফের রাস্তায় নিয়ে এসেছে একটি অসাধুচক্র। আর এ অসাধু চক্রই ‘লাইন’ নিয়োগ করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে থাকে হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। ডিউটি পুলিশ ও সিসিকের সুপারভাইজারকে দিয়ে বাকি টাকা নেতারাই পকেটস্থ করে থাকেন।
অন্যন্য রোডে চাঁদা আদায়ের জন্য নেতাদের আরো কয়েকজন লাইনম্যান নিয়োজিত রয়েছে। যাদের নাম পরবতী প্রতিবেদনে আসছে।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd