সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১:০৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৭, ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম নাজির আব্দুল রকিব পাঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি, টাকা আত্মসাত ও অসধাচরনের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। তার অনিয়মের বেড়াজালে বন্ধি হয়েছেন অনেকে। ভোক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ করেও কোন সুরাহা পাচ্ছে না। কোথায় পাঠানের খুঁটির জোর? এমন প্রশ্ন স্থানীয় সচেতন মহলের।
জানা গেছে, তাহিরপর উপজেলার শান্তিপুর এলাকায় এক লক্ষ পচিশ হাজার ঘনফুট বালু নিলামের জন্য গত বছরের ২১ আগস্ট ৫লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দেন ব্যবসায়ী শেখ শফিকুজ্জামান। কিন্তু রকিব পাঠান শফিকুজ্জামানকে কিছু না জানিয়ে জব্দকৃত অন্যত্র নিলামে দেন। পরে টাকা ফেরত চাইলে রকিব পাঠান গত ৩০ আগস্ট শফিকুজ্জামানকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেরত দেন। পরবর্তীতে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দিতে গড়িমসি করায় শফিকুজ্জামান গত ১৫ নভেম্বর সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়ের পর গত ১৫ ডিসেম্বর আরও ৬৫ হাজার টাকা ফেরত দেন। তবে এখনও ১ লাখ ৩৫ হাজার দেননি ফেরত দেননি নাজির আব্দুল রকিব পাঠান।
তাহিরপুর উপজেলার বাসিন্ধা ব্যবসায়ী শেখ শফিকুজ্জামান একদম নিরুপায় হয়ে তাহিরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে প্রকাশ : গত ৫ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসক বরাবর নাজির রাকিব উদ্দিন পাঠানের বিরুদ্ধ লিখিত অভিযোগ টি দায়ের করেন তাহিরপুরের এক ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী এবং পত্রিকার এজেন্ট শ্যামল বর্মন।
শ্যামল বর্মন বলেন ইউএনও অফিসের নাজির রাকিব উদ্দিন পাটান গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ বাংলা সনের হাটবাজারের সিডিউল ৫ টা পর্যন্ত বিক্রি করার সময় সিমা নির্ধারন থাকলেও তিনি নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাত ৮ টা পর্যন্ত উৎকুচের বিনিময়ে সিডিউল বিক্রি করেছেন,আমি তাহার প্রতিবাদ করলে তিনি আমাকে অকত্য ভাষায় গালিগালাজ এবং ইউএনও সাহেব কে দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেলে দেবে বলে হুমকি প্রধান করেন, আমি নিরীহ মানুষ বিধায় মহামান্য জেলা প্রশাসকের নিকট তার অনিয়ম দুর্নীতি অসদাচরণের বিরুদ্ধে বিচার চেয়ে দরখাস্ত করেছি।
ইউএনও অফিসের অফিস সহকারী নাজির রাকিব উদ্দিন পাঠান বলেন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানুয়াট অভিযোগ করেছে আমি তাঁকে কোন গালি গালাজ করিনি।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd