সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৮:৪৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৩, ২০২৩
বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। পয়লা বৈশাখ এ উৎসব পালিত হয়। বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত আনন্দের একটা দিন। বাংলা নববর্ষ বাংলা ভাষার প্রথম দিন বলা হয়ে থাকে। বাংলা সাল কে বরণ করে নেওয়ার জন্য এই উৎসবটি পুরো বাংলাদেশে ব্যাপক আনন্দের সহিত পালন করা হয়।
বাংলা নববর্ষ-১৪৩০ এর আগমন উপলক্ষে গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুরসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিল্পপতি গোলাপ মিয়া। সেই সাথে পবিত্র রমজান উপলক্ষেও শুভেচ্ছা জানান তিনি।
গোলাপ মিয়া বলেন, ‘জাগতিক নিয়মের পথ-পরিক্রমায় বছর শেষে আমাদের মধ্যে আবার এসেছে নতুন বছর-১৪৩০ বঙ্গাব্দ। তাই গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুরসহ দেশবাসীকে নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।’
এর পরপরই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের রমজান উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে পরিকল্পনা বলেন, ‘মুসলমানদের সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস চলছে এখন। আমি সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘এ ভূখণ্ডের হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির বাহক এ দেশের বাঙালি জনগোষ্ঠী। বিভিন্ন ধর্মে-বর্ণে বিভক্ত হলেও ঐতিহ্য ও কৃষ্টির জায়গায় সব বাঙালি এক এবং অভিন্ন। নানা ঘাত-প্রতিঘাতে অনেক ঐতিহ্য হারিয়ে গেলেও পয়লা বৈশাখে নববর্ষ উদ্?যাপন এখনো স্বমহিমায় টিকে আছে। সারা বছরের ক্লেদ-গ্লানি, হতাশা ভুলে এদিন সব বাঙালি নতুন আনন্দ-উদ্দীপনায় মেতে ওঠেন। ‘‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো/ মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা”—কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী এই গান গেয়ে আমরা আবাহন করি নতুন বছরকে।’
পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণকে বাঙালির সর্বজনীন উৎসব আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। গ্রামীণ মেলা, হালখাতা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল বর্ষবরণের মূল অনুষঙ্গ। ব্যবসায়ীরা আগের বছরের দেনা-পাওনা আদায়ের জন্য আয়োজন করতেন হালখাতা উৎসবের। গ্রামীণ পরিবারগুলো মেলা থেকে সারা বছরের জন্য প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র কিনে রাখতেন। গৃহস্থ বাড়িতে রান্না হতো সাধ্যমতো উন্নত মানের খাবার।’
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই নতুন করে সবাই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে এবং গড়ে তুলবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। বাংলা নববর্ষ ১৪৩০ আমাদের সবার জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এ প্রত্যাশা রইল।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। আমার সবাই এখন সুখে শান্তিতে বসবাস করছি। তিনি আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। পয়লা বৈশাখ এ উৎসব পালিত হয়। পৃথিবীর যেখানে যত বাঙালি আছে, তারা সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ পালন করেন। আসুন সবাই পুরাতন বছরের সমস্ত গ্লানি দুঃখ-বেদনা, ভুলে গিয়ে নতুন বছরের নতুন সূর্য, নতুন প্রাণ, নতুন গান, নতুন আলো, নতুন বছর কাটুক ভালো শুভ হোক ১৪৩০ শুভ বাংলা নববর্ষ সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। বিজ্ঞপ্তি
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd