বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করা নয়ন নামক এক শ্রমিককে চুরির অপবাদ দিয়ে খুন করা হয়েছে। তার পরিবারের কোনো খোঁজখবর পাওয়া যাচ্ছিলনা।
কিন্তু সংবাদ প্রকাশের পর নয়নের পরিচয় পাওয়া গেছে সে সিলেটের কোম্পানিগঞ্জের খেছুটিলা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। তার বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বিশ্বনাথে তার একটা চা’র দোকান আছে। তারা গত ৩০বছর ধরে বিশ্বনাথ পৌরশহরের টিএনটি রোডের বিএনপি নেতা মুজাহিদ আলীর কলোনিতে বসবাস করে আসছেন বলে তিনি জানান।
আব্দুল জলিল সাংবাদিকদের বলেন, প্রায় ১০-১১ মাস আগে বিয়ে করেছে নয়ন। ১০-১৫দিন আগে সে বাসা থেকে কাজের সন্ধানে বের হয়েছিল। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছিলনা।
শুক্রবার (৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালের একটি নির্মাণাধীন ভবনে চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে নয়নকে হত্যার অভিযোগ উঠে। এঘটনায় পুলিশ আরেকজনকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে।
খবরটি জানার পর তারা শোকে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। পরে সন্ধ্যায় তার বাবা ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন ওসমানী হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।
এ ঘটনায় দিনাজপুরের রুবেল (৩২), কুড়িগ্রামের নারায়নপুরের আব্দুর রহমানের ছেলে আমিনুল ইসলাম, একই এলাকার মো.শহীদের ছেলে আয়নাল, ময়নাল আলীর ছেলে সাবান আলীকে তাৎক্ষনিক আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পরে বিকেলের দিকে আরেক জনকে আটক করা হয়। তিনি হলেন বগুড়ার শিবগঞ্জের আলা উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৩৭)। তারা সবাই নির্মানাধিন ওই ভবনের শ্রমিক।