সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:৪৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০২৩
নিজেস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজারের খলিলপুর ইউনিয়নের মোঃ শাহিন মিয়া হত্যা মামলায় ১জন আসামীর মৃত্যুদন্ড ও ২জনের যাবজ্জীবন সহ আরও ২জন আসামীর ৭ বৎসরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। গত বুধবার (২৬ জুলাই) মৌলভীবাজারের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আল মাহমুদ ফায়জুল কবির প্রমানিক এ রায় ঘোষনা করেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত মনজু চন্দ্র দে মৌলভীবাজার উপজেলার কালার গাঁও গ্রামের মৃগেন চন্দ্র দের ছেলে। এছাড়া ও যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন একই গ্রামের গিরি সূত্রধরের ছেলে সঞ্জীব সূত্রধর ও বকুল দে এর ছেলে তপু দে এবং বিমল সূত্রধরের ছেলে যান্টু সূত্রধর, ফতেপুর গ্রামের শেখ হোসেন রহমানের ছেলে শেখ হাসান মাহমুদ (হৃদয়) কে ৭বৎসরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলার বর্র্ণনা দিয়ে আদালত সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১১:৩০ এর দিকে ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের চেয়্যারম্যান নির্বাচনের বিজয়ী মিছিল থেকে শাহিন কে সরকার বাজারের গরুর হাঁটের পাশে নিয়ে আসামী মনজু চন্দ্র দে ধারালো অস্ত্রের ডেগার দিয়ে শাহিনের পেটে,বুকে ও বাম পায়ের উরুতে আঘাত করে। এতে ভিকটিম গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয়। সে সময় আসামী সঞ্জীব, তপু, হৃদয় ও যান্টু ভিকটিমকে ধরে রাখে এবং অন্যান্য অস্ত্রের আঘাতে শাহিনকে হত্যা করে, তার লাশ সরকার বাজারের গরুর হাঁটের পাশে জলাশয়ের কচুরিফেনার ভিতর ফেলে দেয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই (সালাম মিয়া) বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে,২০২২ সালের ১৬ আগষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক মো: আব্দুস ছালেক উল্লেখিত ৫ আসামীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। ২০২২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্র্যুনালে স্থানান্তরিত হয়। দীর্ঘ শুনানিতে ৬ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ৩০২/৩৪ দারায় দোষী সাব্যস্তক্রমে ১নং আসামী মনজু কে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদন্ড এবং সঞ্জীব ও তপু কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড সহ অন্যান্য ২ আসামীকে ৭ বৎসরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন অন্যথায় ২ বৎসর কারাদন্ড দেওয়া হয়। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি এ.কে এম আজাদুর রহমান আজাদ আদালতের এ রায়ের সন্তোশ প্রকাশ করেন। কিন্তু আসামি পক্ষের আইনজীবি প্রীতম দত্ত এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd