সিলেটে আ.লীগের ২০ প্রার্থী সক্রিয় আন্দোলনে ব্যস্ত বিএনপি

প্রকাশিত: ৮:৪৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৩

সিলেটে আ.লীগের ২০ প্রার্থী সক্রিয় আন্দোলনে ব্যস্ত বিএনপি

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার শেষ নেই। এ নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সরকারবিরোধী দলগুলোর অভিযোগেরও অন্ত নেই। তা সত্ত্বেও থেমে নেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের মনোনয়নপ্রাপ্তির লবিং-তদবির। সিলেট জেলার ৬টি আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দলটির কমপক্ষে ২০ জন মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীর জট লেগেছে বিএনপিতেও। যদিও আপাতত সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটছে দলটির নেতাকর্মীদের। প্রকাশ্যে কেউ এখনো নির্বাচনকেন্দ্রিক তৎপরতা শুরু না করলেও বিএনপির অন্তত ১৫ জন নেতা আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। তবে বিএনপি নেতারা আগামী নির্বাচন নিয়ে এখনো মুখ খুলছেন না।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে এবং দল থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত হলে যে কোনো সময় বিএনপি সাংগঠনিকভাবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী ও খেলাফল মজলিস, জমিয়তসহ অন্যান্য দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নানা তৎপরতা শুরু করেছেন। তবে সময় ঘনিয়ে আসলে অতিথি পাখির মতো সম্ভাব্য প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। অনেকেই নিজেদের ব্যক্তি প্রচারণার উদ্দেশ্যে নির্বাচনে প্রার্থিতার ঘোষণা দেন। সেসব প্রার্থীদের অনেকের দেখা মেলে তফসিল ঘোষণার পরে।

সিলেট-১ : নানা কারণেই জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-১ আসন অত্যাধিক গুরুত্ব বহন করে। প্রচলিত রয়েছে ‘সিলেট-১ আসন যার, সরকার তার’। তাই সব রাজনৈতিক দল সিলেট সিটি করপোরেশনকে নিয়ে গঠিত সিলেট-১ আসনকে আলাদাভাবে বিবেচনা করে।
টানা তিন মেয়াদে দেশ পরিচালনা করে আসছে আওয়ামী লীগ। এজন্য সিলেট-১ আসনের উন্নয়নের চিত্র নিয়েও নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। বিগত দুই মেয়াদে এই আসনের এমপি ছিলেন প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তার মেয়াদে এই আসনে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, কেন্দ্রীয় কারাগার নির্মাণসহ অসংখ্য দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই আসনের এমপি হন তার ভাই বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি নির্বাচনের আগে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণসহ সিলেট ইকোনমিক জোন নির্মাণের প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন। সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ শুরু হলেও সেটি এখনো দৃশ্যমান নয়। এর বাইরে অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে সিলেট শহরে। তবে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন না থাকায় ভোটারদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে আসন্ন নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী আরো কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. ইনাম আহমদ চৌধুরী, বিশিষ্ট চিকিৎসক ড. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসেন।

এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ বিষয়ে আরিফুল হক চৌধুরী ভোরের কাগজকে বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে সিটি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলাম। আশা করি, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আমাকে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন দেবেন’। তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও সিলেট-১ আসনে প্রার্থী হতে পারেন বলে আলোচনা চলছিল। কিন্তু একটি মামলায় সম্প্রতি সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় হয়তো আর প্রার্থী হতে পারবেন না তিনি। সিলেট-১ আসনে জাপার কোনো শক্তিশালী প্রার্থী নেই।

সিলেট-২ : এই আসনে আওয়ামী লীগের গত দুই মেয়াদে কোনো এমপি নেই। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হয়ে ব্যাপক উন্নয়ন করেন। কিন্তু এর পরেরবার ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের শরীক জাতীয় পার্টিকে এই আসনটি দিয়ে দেয়। ফলে এমপি নির্বাচিত হন জাপা নেতা ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া। বিগত নির্বাচনে অর্থাৎ ২০১৮ সালের নির্বাচনেও ইয়াহইয়া মহাজোটের মনোনয়ন পান। কিন্তু গণফোরামের মোকাব্বির খানের কাছে তিনি ধরাশায়ী হন। ফলে, গত ১০ বছর থেকেই বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর উপজেলাবাসী সরকার দলীয় এমপি পাননি। এখানে শফিকুর রহমান চৌধুরীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন যুক্তরাজ্য আওযামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জান চৌধুরী। কিন্তু তিনি সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে ইতোমধ্যে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে এ আসনে আওয়ামী লীগের অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন- একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট চিকিৎসক ড. অরুপ রতন চৌধুরী ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জগলু চৌধুরী।

এ প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, বিগত দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট শরিক দলের জন্য আসনটি ছেড়ে দেয়ায় আমি নির্বাচনে প্রার্থী হইনি। আগামীতে দলের মনোনয়ন পেলে আসনটি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেব।

সিলেট-২ আসনে বিএনপির একমাত্র মনোনয়নপ্রত্যাশী নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াছ আলীর স্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা। তার দল নির্বাচেন গেলে তিনিই হবেন প্রার্থী এটা প্রায় নিশ্চিত। তবে কোনো কারণে তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হলে তার ছেলে আবরার ইলিয়াছ হবেন বিএনপির প্রার্থী।

এখানে জাপার ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক এমপি ইয়াহইয়া চৌধুরী ইতোমধ্যে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজে লিপ্ত হওয়ায় দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন। ফলে জাপার প্রার্থী নেই এই আসনে এটা প্রায় নিশ্চিত। এ আসনে খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাসির আলী নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।

সিলেট-৩ : দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হলেও ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক। সেই পরিচয়েই আসনটির তিনবারের এমপি মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর গত উপনির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন। এবারো মনোনয়ন চাইবেন তিনি। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী আরেকজন হেভিওয়েট প্রার্থী ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল। দেশের একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক তিনি। বর্তমান সরকারের আমলে চিকিৎসাক্ষেত্র ঢেলে সাজানোর ক্ষেত্রে অবদান রয়েছে তার। প্রতিনিয়ত তিনি চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। চিকিৎসা ক্যাম্পসহ সামাজিক কর্মকাণ্ডগুলো চলমান রেখে কৌশলে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন তিনি।

আরেকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেন- যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক আ. স. ম মিসবাহ। তিনিও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানার সুনজরে। এছাড়া সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহিদসহ ডজনখানেক নেতা রয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। জানতে চাইলে বর্তমান এমপি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘এমপি হিসেবে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততার কারণে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে, এলাকার জনমতও আমার পক্ষে। আমার বিশ্বাস, দল আমাকে আবারো মূল্যায়ন করবে’।

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন দলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও তারেক রহমানের মানবাধিকারবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এম এ সালাম এবং সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এখানে আওয়ামী লীগ-বিএনপির হিসাব পাল্টে দিতে পারেন জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক। এছাড়া এ আসনে জামায়াতের মাওলানা লোকমান আহমদ ও খেলাফত মজলিসের মাওলানা দিলওয়ার হোসাইন রয়েছেন মাঠে।

সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ-গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর) : জাফলং, বিছনাকান্দি, পান্তুমাই, লালাখাল, শ্রীপুর ও ভোলাগঞ্জসহ সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ পর্যটন কেন্দ্রের অবস্থান সিলেট-৪ আসনে। আয়তনের দিক থেকে তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত বাংলাদেশের অন্যতম বড় নির্বাচনী এলাকা এটি। সরকারের বিপুল রাজস্ব আয়ের উৎস পাথর কোয়ারির জন্য অতি পরিচিত এই আসনের দিকে বিশেষ নজর সবার।

এই আসনের ছয়বারের এমপি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ। দীর্ঘদিন পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকায় মন্ত্রীর প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন থেকে বাদ পড়তে পারেন এমন ধরণা তৃণমূলের। কিন্তু কেউ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রকাশে আসতে চাইছেন না। তবে এই আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাপ মিয়া দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। তিনি মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন এবং মানুষের দ্ধারে দ্ধারে ঘুরছেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মাহফুজ আহমদ চৌধুরী ও শ্রমিক লীগ নেতা নাজমুল আলম রুমেনও মনোনয়ন চাইবেন।

এ আসনে স্থানীয় বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক একাধিকবারের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী। তিনি দলের নির্দেশ মেনে বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেননি। তাই তিনি এ আসনে বিএনপির একমাত্র প্রার্থী হিসাবে মাঠে কাজ করছেন। এছাড়া লন্ডন কানেশনের ওপর ভরসা করে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চাইবেন অ্যাড. কামরুজ্জামান সেলিম ও ব্যারিস্টার আবু সাদাত মো. সোহেল (ডালিম)। তবে এ আসনে জামায়াত নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে বেশ জোরেশোরে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

সিলেট-৫ : সিলেটের আলেম-ওলামাদের এলাকা খ্যাত জকিগঞ্জ-কানাইঘাট উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৫ আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি হাফিজ আহমেদ মজুমদার। এখানে আওয়ামী লীগের আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ। বিগত নির্বাচেনও তিনি আলোচনায় ছিলেন। এবার তাকে মনোনয়ন দিতে পারে আওয়ামী লীগ। এ প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ভোরের কাগজকে বলেন, ‘ইতোপূর্বে আমি এই আসনে দলীয় মনোনয়ন পেলেও মহাজোটের প্রার্থীর জন্য দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে সরে দাঁড়িয়েছিলাম। আগামী নির্বাচনে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আবারো আমাকে মনোনয়ন দেবেন সেই প্রত্যাশা করি’।

এখানে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন- জেলা বিএনপি নেতা আশিক চৌধুরী ও মামুনুর রশীদ মামুন (চাকসু মামুন), জাতীয় পার্টির মো. সেলিম উদ্দিন, সাইফুদ্দিন খালেদ এবং জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের উবায়দুল্লাহ ফারুক।

সিলেট-৬ : গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী বর্তমান এমপি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তবে আগামীতে চমক হিসেবে আসতে পারেন কানাডা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সারোয়ার হোসেন। তিনি এখন নিয়মিত দেশেই থাকেন এবং নির্বাচনী মাঠে সময় দিচ্ছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার খুবই আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিত। এখানে আওয়ামী লীগের এই দুই হেভিয়েট প্রার্থীর বিকল্প হিসেবে আলোচনায় আছেন ইনাম আহমেদ চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ছাদ উদ্দিন আহমেদ।

এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিকল্প ধারা থেকে সাবেক সচিব সমসের মবিন চৌধুরী নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে পারেন। একইসঙ্গে দল নির্বাচনে আসলে বিএনপি দলীয় প্রার্থী হিসেবে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বিএনপি নেতা ফয়সল আহমদ চৌধুরী, জাসসের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে পারেন। এর মধ্যে ফয়ছল আহমদ চৌধুরী ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দেখা যেতে পারে সেলিম উদ্দিনকে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

September 2023
S S M T W T F
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

সর্বশেষ খবর

………………………..