সিলেট ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:৪৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৩
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেটের মিরাবাজার এলাকার বিরতি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়া আরও দুইজন মারা গেছেন। রোববার রাতে ও সোমবার সকালে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এরমধ্যে আহত টুকেরবাজারের মুহিন আহমদ অবস্তা আশঙ্কাজনক।
নিহতরা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার জাঙ্গাঈল এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে তারেক আহমদ (৩২) ও সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার কাদিরগাওয়ের অর্জুন দাসের ছেলে বাদল দাস (৪১)।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেট বিমানবন্দর থানার কোরবানটিলা এলাকার বাসিন্দা, ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক রুমেল সিদ্দিক ও ১২ সেপ্টেম্বর টুকেরবাজার এলাকার ইমন আহমদ মারা যান। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাড়াল চার। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৫ জন।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে তারেক রোববার রাতে ও বাদল সোমবার সকালে মারা যান। তাদের উভয়ের শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বিরতি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের কমপ্রেসার কক্ষের একটি বাল্ব বিস্ফোরণে ৭ জন কর্মচারী ও ২ জন পথচারী দগ্ধ হন। তাদেরকে প্রথমে ওসমানী হাসপাতালে ও পরদিন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে চার জনের শরীর ৩০-৪০ ভাগ পুড়ে যায়।
চিকিৎসাধীন দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন- শাহপরান এলাকার বাসিন্দা ও পাম্প কর্মচারী মিনহাজ আহমদ, তাহিরপুরের শ্রীপুরের রিপন মিয়া, একই গ্রামের লুৎফুর রহমান, সিলেট সদরের টুকেরবাজারের মুহিন আহমদ ও একই এলাকার রুমান। ফিলিং স্টেশনের মালিক আফতাব আহমদ লিটন নিজ উদ্যোগে দগ্ধদের চিকিৎসা করাচ্ছেন।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd