সিলেট ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৭:২৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৫, ২০২০
কানাইঘাট প্রতিনিধি :: সিলেট এমসি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ মামুদুল হাসান বলেছেন, যারা এলাকায় শিক্ষার উন্নয়নে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন তারাই হচ্ছেন সমাজের জ্ঞানী গুনীজন আলোকিত মানুষ। তাদেরকে আমাদের সব সময় সম্মান করা উচিত।
তিনি আরো বলেন, এক সময় কানাইঘাট শিক্ষার দিক থেকে পিছিয়ে ছিল। কিন্তু সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী ও দানশীল ব্যক্তিরা বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় আজ শিক্ষার দিক থেকে কানাইঘাট একটি আলোকিত জনপদ। এ অর্জন আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে।
মাহমুদুল হাসান গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কানাইঘাট আলহাজ¦ বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ বছর পুর্তি উপলক্ষ্যে স্কুল প্রাঙ্গনে আয়োজিত রজত জয়ন্তী বিদায়ী শিক্ষক সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বদরুল আলম বেলালের সভাপতিত্বে ও স্কুলের সহকারী শিক্ষক মখলিছুর রহমান ও দেলোয়ার হোসেনের যৌথ পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক এম তাজিম উদ্দিন, এমসি কলেজের ইসলামী ষ্টুরী ও সাংস্কৃতিক বিভাগের প্রভাষক আব্দুল বাছিত, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা বেগম, পরাষ্ট্রমন্ত্র ড. একে এম আব্দুল মুমিন এর ব্যক্তিগত সহকারী শফিউল আলম জুয়েল, সিলেট বারের বিশিষ্ট আইনজীবি এপিপি আব্দুস সাত্তার, কানাইঘাট মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি এখলাছে এলাহী, এডঃ তাজউদ্দিন, সমাজ সেবক মাওলানা ফজলে হক, ঢাকনাইল সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কবির আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল আমিন, বক্তব্য রাখেন রজত জয়ন্তী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন।
এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, সুধীজন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এলাকার দানশীল ব্যক্তিত্ব প্রয়াত আলহাজ¦ বশির আহমদ বৃহত্তর ঢাকনাইল অবহেলিত এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা অমুল পরিবর্তন সাধনের লক্ষ্যে আজ থেকে ২৫ বছর পূর্বে অনেকের সার্বিক সহযোগিতায় এ বিদ্যালয় গড়ে তোলে ছিলেন। আজ সেখান থেকে লেখা পড়া করে অনেকে নানা ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বশির আহমদের অবদান এলাকাবাসী সব সময় তাহাকে শ্রদ্ধার সাথে সম্মরণ করবে। অনুষ্ঠান শেষে স্কুলের অবসর প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক এহসান উল্লাহ, ইমদাদ হোসেন কে সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তোলে দেন অতিথিবৃন্দ।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd