সিলেট ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক :: সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনসার সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কিছুতেই থামছে তাদের বাণিজ্য। বিভিন্ন এলাকা থেকে সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের নিকট থেকে জোরপূবক টাকা আদায়সহ নানাবিদ অভিযোগ রয়েছে আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, ওসমানী মেডিকেলে শুরু হয়েছে আনসার পিসি বাণিজ্য।এমন অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। পিসিদের বদলি নিয়ে দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন।
সম্পতি কোন নিয়ম নীর্তির তোয়াক্কা না করেই ময়মনসিংহের দুই আনসার পিসি ওসমানীতে যোগদান করানো হয়েছে। যোগদানকৃত আনসার সদস্যরা হলেন পিসি রফিকুল ইসলাম লিটন ও পিসি বশির আহমদ। তারা যোগদানের পর থেকে শুরু হয়েছে মেডিকেলে দূনীর্তি।এই দুই পিসি কোন ধরণের আইন কানুনকে তোয়াক্কা না করেই শুরু করছে লুটপাট। তাদের লুটপাট দেখে বুঝা যাচ্ছে যে পরিমাণ টাকা দিয়ে এখানে বদলি হয়ে আসছেন, সেই টাকা এক মাসের মেডিকেল থেকে উদ্ধার করবেন।
মেডিকেল ঘুরে দেখা যায়, বাহিরের আউটডরে রোগীদের সাথে দালালী ও হাকার্সদের কাছ থেকে দুই হাতে কাটা আদায় করছে আনসার সদস্যরা। মেডিকেলের বাহিরের চেয়ে ভিতরে গিয়ে দেখা যায় আরও ভয়ংকর দৃশ্য। প্রতিটি ওয়ার্ডের গেইটের সামনে দাড়ানো থাকেন একজন করে আনসার সদস্য। তারা রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে টাকা আদায় করেন। কেউ টাকা না দিলে থাকে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করেন।
ওয়ার্ডের ভিতরে চা-বিক্রেতা ও মোবাইল ছিনতাইকারীদের প্রবেশের সোযোগ দিয়ে এদের নিকট থেকে দৈনিক আদায় করেন বড় অংকের টাকা। গত ১৫ মার্চ রাতে মেডিকেলের ২ নং ওয়ার্ডের গেইটের সামনে এক ব্যাক্তির মোবাইল ছিনতাইয়ের সময় জনতার হাতে আটক হয় আনসার সদস্য। পরে মুছলেখা দিয়ে ছাড়া পায়।
আর এই সকল টাকার ভাগ দিতে মেডিকেলের আনসার ক্যাম্পের পিসি রফিকুল ইসলাম লিটন ও পিসি বশির আহমদকে। পিসিরা আনসার সদস্যদের বলেন, আমাদের এখানে আসতে অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে। এই টাকা তোমরাই উদ্ধার করে দিতে হবে। যার ফলে ওই সদস্যরা বোপরোয়া হয়ে উঠেছে।
এই আনসার সদস্যদের দূনীর্তি বন্ধে ওসমানী মেডিকেলের কর্তৃপক্ষের নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন রোগীর স্বজনরা।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd