সিলেট ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১০:০৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২০
ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা ইতালি প্রবাসী শেখ ইকবালকে ৮ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা বেগম শুনানি শেষে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে একই দিন ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন মামলার বাদী এসআই মো. নজুরুল ইসলাম। মিঠামইন থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির রাব্বানী রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইতালি থেকে বাড়ি ফিরে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে বাইরে ঘুরা ফেরায় নিষেধ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদা দাবির অভিযোগ করায় রোববার রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শেখ হোসাইন মো. ইকবাল মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের মৃত মিলন শেখের ছেলে। ৭ মার্চ ইটালি থেকে তিনি বাড়ি বাড়ি ফিরেন।
পুলিশ জানায়, ইতালি থেকে ফিরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরাফেরা করছিল শেখ ইকবাল। এলাকাবাসী পুলিশের কাছে এ অভিযোগ করার পর গত ১৩ মার্চ মিঠামইন থানা পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার অনুরোধ করে। এ নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা তাকে বলেন, নিয়ম না মানলে প্রয়োজনে আপনাকে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে যাওয়া হবে।
এ ঘটনার পর একই দিন শেখ ইকবাল তার ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড করেন। ওই ভিডিওতে তিনি মিঠামইন থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম ও মো. কিরণ মিয়ার বিরুদ্ধে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ করেন। বলেন, চাঁদা না দিলে তাকে করোনা আক্রান্ত বলে প্রচার করে দেবেন।
এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে।
বিষয়টি তদন্তের জন্য অষ্টগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিম সুপার মো. আজিজুল হককে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ। গত ২১ মার্চ তদন্ত শেষে পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট দেয়া হয়। তদন্তে বিষয়টি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
এ ব্যাপারে রোববার (২২ মার্চ) মিঠামইন থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে শেখ মো. ইকবালকে প্রধান আসামি করে ২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে মিঠামইন থানায় জিডিটাল নিরাপত্তা মামলা দায়ের করেন।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd