সিলেট ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ, মে ৬, ২০২২
এইচ.কে.শরীফ সালেহীনঃঃবাংলাদেশের একমাত্র জলাবন রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট যা ‘সিলেটের সুন্দরবন’ নামে খ্যত পরিচিত সোয়াম ফরেস্টে ঈদের ৩য় দিনে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আসতে থাকে পর্যটক। রাতারগুল সোয়াম ফরেস্টে যাওয়ার ৩টি খেয়া ঘাট রয়েছে।
তবে রাতারগুল চৌমুহনী মাঝের ঘাট প্রথম যা রাতারগুল গ্রাম দিয়ে যেতে হয়।রাতারগুলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এক অপারবিস্ময়। জঙ্গলের একেবারে শুরুর দিকটায় মুতার বন। এর বেশির ভাগই জলে ডুবে থাকে বর্ষা কালে। যতই বনের ভিতর দিকে যাবেন ততই বাড়তে থাকে গাছের ঘনত্ব। অনেক জায়গাতেই এখন দিনের সূর্যের আলো পৌঁছায় না।
শুক্রবার (৬ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাতারগুল সোয়াম ফরেস্টে পর্যটকদের ঢল নামে। পর্যটন স্পটি পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে।পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। বাংলাদেশের একমাত্র স্বীকৃত মিঠা পানির জলাবন রাতারগুলের সোয়াম্প ফরেস্টে ছোট ছোট নৌকা নিয়ে জলারবনের ভিতরে প্রবেশ করছেন পর্যটকরা। বনের ভিতর গিয়ে ঘুরে দেখেন পুরো এলাকা।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন আমাদের পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে সিলেটে বেড়াতে এসেছি। আজ সকালে রাতারগুল আমার জীবনের প্রথম আসা। এখানে এসে ভালো লাগছে,বেশ আনন্দ করছি।
বরিশাল থেকে আসা পর্যটক হাসান আহমদ চৌধুরী জানান আমি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি। সবসময় ছুটি পাওয়া যায় না। এবার এই ঈদে লম্বা ছুটি পেয়েছি, তাই পরিবারের সবাইকে নিয়ে রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট দেখতে চলে এসেছি।রাতাগুলসহ সিলেটের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেছি,তবে রাতারগুল দেখতে অনেক বেশি সুন্দর।।
Sharing is caring!
………………………..
Design and developed by best-bd